ধ’র্ষ’ণের শি’কা’র তরুণীকে বি’য়ে কর’লেন ‘ছো’টবে’লার প্রে’মি’ক’

আজও বেঁ’চে আছে ভালোবাসারা। আর তারই নিদ’র্শন দিলেন ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার কুলতলির বাসিন্দা শুভঙ্কর ও তাঁর প্রেমিকা।

সোমবার (২ নভেম্বর) কুলতলির পুর্ব গোপালগঞ্জে শুভঙ্ক’রের বাড়িতেই চারহাত এক ক’রা হয়। অনেক লড়াই ক’রা' ক’ষ্ট পাওয়া মেয়েটাকে নিজে’র মেয়ের মতো ক’রেই বাড়িতে তুলেছেন শুভঙ্ক’রের বাবা ও মা। ভারতের স্থা’নীয় গণমাধ্যমের খবরে জা’না যায়' কুলতলি ব্লকের পশ্চিম গোপালগঞ্জে’র বাসিন্দা শুভঙ্ক’রের ভালোবাসার মানুষটি।

কিন্তু গোটা জীবনটা তাঁর বড়ই যন্ত্রণার। ওই তরু’ণী মাতৃগর্ভে থাকার সময়ই তাঁর বাবা বিয়ে ক’রে চলে যায়। জ’ন্মানোর স’ঙ্গে স’ঙ্গে ই মৃ’ত্যু হয় মায়ের। একমাত্র আশ্রয় ছিল মাসি' দিদা ও দাদা। ছোটবেলা কোনোরকমে কাটলেও মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকে লা’গাতার যৌ*ন নি’র্যা’তনে’র শি’কার হতে হয়েছিল তাঁকে।

সবচেয়ে ভ’য়ানক ঘ’টনা ঘ’টে ২০১৩ সালের দিকে। বাড়িতে কেউ না থাকায় দাদার কাছে টানা ছয়দিন ধ’রে ধ’র্ষ’ণের শি’কার হতে হয়েছিল তাঁকে। ছোট্ট মেয়েটি তখন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তাঁর স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির ছাত্র শুভঙ্কর মন্ডলের স’ঙ্গে প্রেমের স’স্পর্কে জড়িয়ে পড়ে কিশোরী হৃদয়। নিজে’র ওপর অ’ত্যাচা’রের কথা খু’লে জা’নায় প্রেমিককে।

শুভঙ্কর বিষয়টি জা’নায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে। তাদের পক্ষ থেকে কুলতলি থা’নায় অ’ভিযো’গ দা’য়ের ক’রা হয়। ঘ’টনার তদ’ন্তে নেমে অভিযুককে গ্রে’ফতা’র ক’রে পু’লিশ। কিন্তু এর প’রিণতি হয় আরো মা’রাত্মক।অ’ভিযো’গ ক’রার ‘অপরাধে’ বাড়ি ছাড়তে হয় অস’হায় মেয়েটাকে। তাঁকে যৌ*ন পল্লীতে বিক্রি ক’রে দেওয়ারও চেষ্টা ক’রে তাঁর অত্মীয়রা।

বিষয়টি জানতে পেরে পু’লিশ তাঁকে উ’দ্ধার ক’রে হোমে পাঠায়। সেখানেই নতুন জীবন শুরু হয় নি’র্যা’তি’তা ওই সাহসী কিশোরীর। নতুন ক’রে পড়াশোনাও শুরু ক’রে। ২০১৯ সালে মাধ্যমিক পাস ক’রেন ওই তরু’ণী। ততদিনে স্নাতক পাস ক’রে ফেলেছেন শুভঙ্কর। প্রথমে উপার্জনের জন্য গাড়ি চালানোর কাজ শুরু করলেও পরবর্তীকালে মাছের ব্যবসা শুরু ক’রেন তিনি।

একইস’ঙ্গে ছোটবেলার প্রেমিকার স’ঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন শুভঙ্কর। প্রাপ্তবয়স্ক হলে ওই তরু’ণী হোম কতৃপক্ষের কাছে বিয়ে ক’রার ইচ্ছে প্রকাশ ক’রেন। পাত্র হিসেবে শুভঙ্ক’রের কথা জা’নান তিনি। যোগাযোগ ক’রা হয় শুভঙ্কর ও তাঁর পরিবারের স’ঙ্গে । এরপর গত সোমবার কুলতলির পুর্ব গোপালগঞ্জে শুভঙ্ক’রের বাড়িতেই তাদের বিয়ে হয়।