হেলমেট পরিয়ে সাহেদকে নদীর পাড়ে নিয়ে গেল র‍্যাব

করো’না র সনদ জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে সাতক্ষীরার দেবহাটার পারুলিয়া ইউনিয়নের শাখরা কোমরপুরের গ্রেপ্তারের স্থানে নিয়ে গিয়েছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকাল ৪টা ১১মিনিটে লাবন্যবতী নদীর ওপর নির্মিত কোমরপুরের বেইলি ব্রিজে তাকে নিয়ে আসে র‌্যাব। এরপর উৎসুক সাধারণ মানুষকে সরিয়ে স্থা’নীয় ক্যামেরাপারসন ও সাংবাদিকদের ব্রিজ থেকে নির্দিষ্ট দূ’রত্বে সরিয়ে ৫-৭ মিনিট কথা বলে আবার গাড়িতে ওঠানো হয় সাহেদকে।

এ সময় সাহেদের মুখমণ্ডল ছিল হেলমেটে ঢাকা, গায়ে ছিল গেঞ্জি ও র‌্যাবের নি’রাপত্তা জ্যাকেট। ব্রিজে’র ওপর থেকেই আবার গাড়িতে উঠিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় র‌্যাব। তদ’ন্তের স্বার্থে র‌্যাব উপস্থিত সংবাদক’র্মী দের প্রশ্ন না ক’রতে অনুরো’ধ জা’নান। সূত্র-bd24live.com

আরোও পড়ুনঃ স্ত্রী’র সাথে যে ৫ টি কাজ কখনোই কর’বেন না
যে কোনও স’স্পর্ক ভাল রাখার ক্ষেত্রেই কিছু নিয়ম ও নীতি মেনে চলতেই হয়। কিন্তু মেয়েদের স’ঙ্গে স’স্পর্ক ভাল রাখতে হলে বিশেষ কিছু নিয়ম মানা দরকার। মেয়েদের মন ও মা’নসিকতার কথা মাথায় রেখে তাদের স’ঙ্গে যিনি কথা বলতে পারেন, তিনিই জিতে নিতে পারেন মেয়েদের মন।

যে ৫টি কাজ কখনোই আপনার সঙ্গিনীর সাথে করবেন না। চেহারা নিয়ে নেতিবাচক কথা বলবেন না : সৃষ্টিকর্তা একেকজন মানুষকে একেকভাবে সৃষ্টি ক’রেছেন। একেকজনের চেহারা একেক রকম। কোনো মানুষই তার নিজে’র চেহারা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়।

তাই আপনার সঙ্গিনী যদি নিজেও তাঁর চেহারা নিয়ে নেতিবাচক কোনো কথা বলেন, তাহলে তাতে ভুলেও সায় দেবেন না। অ’ন্তত এ ব্যাপারে আপনার সায় তাঁকে খুশি না করে করবে দুঃখিত।

আর যদি তাঁর চেহারা বা চেহারার কোনো অংশ আপনার ভালো না লাগে, তাহলে সেটা তাঁকে ঘুণাক্ষরেও জানতে দেবেন না! আপনি তাঁকে ভালোবেসেছেন, সব দেখেশুনেই ভালোবেসেছেন। স’স্পর্ক করার পর এসব নিয়ে খোটা দেয়া রীতিমত মা’নসিক নি’র্যাতন।

পোশাক বা সাজগোজ নিয়ে খোটা দেবেন না :
পৃথিবীর সব মানুষ যেমন একরকম নয়, তেমনি সবার রুচিবোধও এক নয়। আপনার সঙ্গিনীর পোশাক-আশাক বা সাজগোজ নিয়ে যদি আপনার কোনো আপত্তি থাকে তাহলে তাঁকে জা’নান,তবে অবশ্যই সরাসরি নয়। একটু ঘুরিয়ে, বুঝিয়ে বলুন। জো’র করবেন না বা খোটা দিয়ে কিছু বলবেন না, এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাঁকে বুঝিয়ে বললে অবশ্যই তিনি আপনার কথা শুনবেন।

অহেতুক সন্দে’হ করবেন না :
সন্দে’হ স’স্পর্কে ফাটল ধ’রায়। আর সন্দে’হের কারণটা যদি হয় ভিত্তিহীন, তাহলে স’স্পর্কে তিক্ততা সৃষ্টি হতে বাধ্য। আপনার সঙ্গিনীর ছেলে ব’ন্ধু থাকতেই পারে। ছেলে ব’ন্ধু মানেই যে অন্য ধ’রনের ঘনিষ্ঠ স’স্পর্ক, তা কিন্তু নয়! তাই সঙ্গিনীকে সন্দে’হ করার আগে এবং এটা নিয়ে তাঁর সাথে কথা বলার আগে ব্যাপারটির সত্যতা যাচাই করে নিন।

পরিবার নিয়ে কটু কথা বলবেন না :
আপনার কাছে যেমন আপনার পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-স্বজন গু’রুত্ব পূর্ণ, তেমনি আপনার সঙ্গিনীর কাছেও তাঁর পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন গু’রুত্ব পূর্ণ। তাই তাঁর আপনজনদের ব্যাপারে কখনোই কোনো কটু কথা বলবেন।

এমন কিছু বলবেন যাতে তাঁদের অস’ম্মান করা হয়। এতে কিন্তু আপনার সঙ্গিনীকেই অস’ম্মান করা হয়। আর যদি স’স্পর্কে এই অমর্যাদার ব্যাপারটি চলে আসে, তাহলে কিন্তু ক্ষ’তি আপনারই। আপনার সঙ্গিনী আপনার প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারে।

তুলনা করবেন না :
একেকজন মানুষের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য থাকে। তাই একজনের সাথে আরেকজনের তুলনা করা একেবারেই উচিত নয়। বিশেষ করে মেয়েরা তাঁর সাথে অন্য কারো তুলনা করা একদমই পছন্দ করেন না। তাই আপনার সঙ্গিনীকে অন্য কারো সাথে কখনোই তুলনা করবেন না। এতে যেমন তিনি রেগে যেতে পারেন, তেমনি এটা তাঁর মনোকষ্টের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই এই তুলনা করার বিষয়টি একেবারেই এড়িয়ে চলুন।